April 19, 2026, 8:29 pm

সিদ্ধিরগঞ্জে স্বামীর হাত-পা বেঁধে পুরুষাঙ্গ কাটলো দ্বিতীয় স্ত্রী

সিদ্ধিরগঞ্জে দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে পুলিশকে ফোন করে জানিয়েছেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী। এই ঘটনার দ্বিতীয় স্ত্রী মোসা. হালিমা কে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের হীরাঝিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় সোহাগ রাড়িকে (৩০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চার বছর আগে প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়েই হালিমাকে বিয়ে করেন সোহাগ। বিয়ের পর থেকে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তার যোগাযোগ অব্যাহত ছিল, যা মেনে নিতে পারছিলেন না হালিমা। বিষয়টি নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। শুক্রবার রাতেও তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি চরম পর্যায়ে পৌঁছায়। একপর্যায়ে হালিমা স্বামী সোহাগকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ধারালো বটি দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন।

ঘটনার পর হালিমা নিজেই অ্যাম্বুলেন্স ডেকে সোহাগকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন এবং পুলিশকে ফোন করে ঘটনাটি জানান। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হালিমাকে আটক করে এবং আহত সোহাগকে হাসপাতালে পাঠায়।

ভুক্তভোগী সোহাগের ছোট ভাই আরিয়ান আহমেদ সোহান বলেন, “আমার ভাইয়ের ওপর পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম বলেন, “সোহাগকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্ত হালিমাকে আটক করা হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা